২০১৯ সালে যখন m56 যাত্রা শুরু করেছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানে ছিল বিদেশি সাইট, ইংরেজিতে সব কিছু, টাকা পাঠানো ও তোলার ঝামেলা এবং ভাষার বাধা। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য কোনো সত্যিকারের স্থানীয় সমাধান ছিল না।
m56-এর প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও বাংলাদেশের মানুষ। তারা এই সমস্যাটা নিজেরা অনুভব করেছিলেন। তাই সিদ্ধান্ত নিলেন — একটা প্ল্যাটফর্ম বানাবেন যা পুরোপুরি বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলা ভাষায়, বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমে।
প্রথম বছর — শেখার পর্যায়
শুরুতে ছিলাম মাত্র কয়েক হাজার সদস্য। সেই সময় প্রতিটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি কথা বলতাম, তাদের সমস্যা শুনতাম। কোনো অভিযোগ এলে রাত জেগে সমাধান করতাম। সেই মানসিকতা আজও m56-এর সংস্কৃতির অংশ — গ্রাহকই সব।
প্রথম বছরে আমরা বুঝলাম বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন ক্রিকেট। তাই ক্রিকেট বেটিংকে কেন্দ্র করে আমাদের স্পোর্টস বিভাগ সাজানো হলো। বিপিএল মৌসুমে লাইভ বেটিং, রান বাই রান আপডেট, বিস্তারিত পরিসংখ্যান — এগুলো ছিল m56-এর প্রথম বড় সাফল্য।
বিস্তার ও উন্নয়ন
২০২১ সালে আমরা ক্যাসিনো বিভাগ যোগ করলাম। লাইভ বাকারা, ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট — সব লাইভ ডিলারের সাথে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা প্রথমবার অনুভব করলেন আন্তর্জাতিক মানের লাইভ ক্যাসিনো অভিজ্ঞতা, কিন্তু বাংলায়। m56-এর VIP প্রোগ্রাম চালু হলো — যারা নিয়মিত খেলেন তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা।
২০২৩ সালে চালু হলো m56 অ্যাপ — Android ও iOS উভয়ের জন্য। বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অ্যাপটি এমনভাবে তৈরি যে ধীর ইন্টারনেটেও নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে। মোবাইলে ডিপোজিট, বেট এবং উইথড্র — সব মাত্র কয়েকটি ট্যাপে।
আজ ২০২৬ সালে m56-এ ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য। প্রতিদিন হাজার হাজার বেট হয়। লক্ষ কোটি টাকা পেআউট হয়েছে। কিন্তু আমরা থেমে নেই — প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার, নতুন গেম এবং আরও ভালো অভিজ্ঞতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
দায়িত্বশীলতা — আমাদের প্রতিশ্রুতি
বেটিং আনন্দের জন্য — কিন্তু এটাকে কখনো সংসারের ক্ষতির কারণ হতে দেওয়া উচিত নয়। m56 সবসময় দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। আমাদের প্ল্যাটফর্মে আছে ডিপোজিট লিমিট, কুলডাউন পিরিয়ড এবং স্বেচ্ছায় বাদ দেওয়ার সুবিধা। ১৮ বছরের নিচে কেউ m56-এ খেলতে পারবেন না — এটা আমাদের কঠোর নিয়ম।